প্রচ্ছদ > বিনোদন >

রাজনৈতিক আক্রমণ নিয়ে যা বললেন বিজয় থালাপতি

article-img

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় থালাপতি সিনেমা থেকে দূরে সরে গেছেন। এখন তিনি পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ। আর এই রাজনৈতিক ময়দানে এসে রাজনীতির ঝড়ে তার নাকাল অবস্থা। এ ঝড় যেন থামছেই না। 

শুধু পেশাগত নয়, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনেও বড় ঝড় যাচ্ছে অভিনেতার। একের পর এক বিতর্ক, গুঞ্জন আর অভিযোগ চরম আকার ধারণ করেছে। যখনই সরগরম পরিস্থিতি, তখনই সামনে এসে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন এ অভিনেতা। সম্প্রতি তিরুনেলভেলির জনসভা থেকে বিজয় বললেন এসব কিছুই হঠাৎ নয়, তাকে ঘিরে পরিকল্পিতভাবেই তৈরি করা হচ্ছে সেই বিতর্কের জাল।

প্রায় ৩০ বছরের দাম্পত্যের পর তার স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম ডিভোর্সের আবেদন করেছেন। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এরপর অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণনকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। যদিও এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি বিজয় থালাপতি। 

তবে তার বক্তব্যে ইঙ্গিত— এসবই পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হচ্ছে। অভিনেতার দাবি, নির্বাচনের ঠিক ৩০ দিন আগে এসব গুজব ছড়ানো হয়। টার্গেট করা হয়েছে তার সিনেমাকেও। অভিযোগ করছেন ইচ্ছাকৃতভাবেই আটকে দেওয়া হচ্ছে তার সিনেমা। বিজয়ের নতুন সিনেমা ‘জন নায়াগান’ এখনো মুক্তি পায়নি। সেন্সর বোর্ডের অনুমোদন দেরি হওয়াকে সন্দেহজনক বলছেন অভিনেতা।  এমনকি জনগণের সঙ্গে দেখা করতেও বাধা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি তার। এর আগে 'দ্য গোট' কে তার শেষ সিনেমা ভাবা হয়েছিল।

করুরের পদদলন ঘটনাও তার ওপর চাপানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এই দক্ষিণী তারকা। তবে এত বড় ঘটনার পরও সাধারণ মানুষ তার পাশে ছিল বলেই জানান বিজয় থালাপতি। তিনি বলেন, এতে হতাশ হয়ে প্রতিপক্ষরা নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করছে। কেন সবকিছুর জন্য শুধু তাকেই দায়ী করা হচ্ছে? তার বক্তব্যে স্পষ্ট—এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক আক্রমণ।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু নির্বাচনে লড়ছেন বিজয় থালাপতি। কোনো জোটে না গিয়ে একাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। সব বিতর্ক ও অভিযোগ আর চাপের মাঝেও তার আত্মবিশ্বাস অটুট। 

বিজয় থালাপতি বলেন, কোনো শক্তিই তাকে মানুষের থেকে আলাদা করতে পারবে না। জনসমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করেন তিনি।